শুভ জন্মদিন

February 26, 2019
শুভ জন্মদিন 🍷

গতকাল সারাদিন জুড়ে ফোন,মেসেজ আর মেসেঞ্জার জুড়ে একটিই বার্তা ছিলো-"শুভ জন্মদিন''

জন্মদিন হলো সুখ দু:খের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ।

হারিয়ে যাওয়া একটি বছর আর ফেলে আসা বহু স্মৃতি।

জন্মদিনে ফেলে আসা দিনগুলো মনে করে আনমনা হতে হয় কিংবা বুকে নতুন স্বপ্ন-আশায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় জন্মায়।

এই নগন্য মানুষটিকে আপনারা যারা স্নেহ করেন,সন্মান করেন,ভালোবাসেন তাদের সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা পোষণ করছি,আর কামনা করছি এই ভালোবাসা যেনো চিরকাল বজায় থাকে।

পরিশেষে সবার সুস্থতা ও সুখী জীবন কামনা করে,

আমার আমিকে জানাই -'শুভ জন্মদিন'



পূর্ণিমা সন্ধ্যায়

February 24, 2019
পূর্ণিমা সন্ধ্যায় তোমার রজনী গন্ধায়
রূপসাগরের পারের পানে উদাসী মন ধায়।
তোমার প্রজাপতির পাখা 
আমার আকাশ-চাওয়া মুগ্ধ চোখের রঙিন-স্বপন-মাখা।
তোমার চাঁদের আলোয়
মিলায় আমার দুঃখ সুখের সকল অবসান॥

তোমার, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন- ছেড়া প্রাণ॥

তোমার, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান..

(রবীন্দ্র সংগীত)



অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯

February 24, 2019

অমর একুশে গ্রন্থমেলা 📚

বইমেলার ইতিহাস স্বাধীন বাংলাদেশের মতোই প্রাচীন। যতদূর জানা যায়,১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখে চিত্তরঞ্জন সাহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে বটতলায় এক টুকরো চটের ওপর কলকাতা থেকে আনা ৩২টি বই সাজিয়ে বইমেলার গোড়াপত্তন করেন।

এই ৩২টি বই ছিলো চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ(বর্তমান মুক্তধারা প্রকাশনী) থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশী শরণার্থী লেখকদের লেখা বই।

এই বইগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের প্রথম অবদান।

১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি একাই বইমেলা চালিয়ে যান।

১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অন্যান্যরা অণুপ্রাণিত হোন।

১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমীর তৎকালীন মহাপরিচালক আশরাফ সিদ্দিকী বাংলা একাডেমীকে মেলার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত করেন।

আলোকচিত্র ১

February 24, 2019
বিশ্ববিখ্যাত কবি-সাহিত্যিক, দার্শনিক ও ফটোগ্রাফারের সাথে একুশে বই মেলার এই আলোকচিত্র 😃

মোবাইল চালক

February 24, 2019
১.

মোবাইলের টাচ স্ক্রীন কিবোর্ডে অবিরাম দুই আংগুলের ছোঁয়া,এক টার পর একটা মেসেজ আদান প্রদান, নোটিফিকেশন চেক,,নতুন পোষ্টে লাইক কমেন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমাদের নিত্য দিনকার কাজ।

চলছে তো চলছেই,যেন থামার কোন লক্ষন ই নেই।

একসময় মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে যায়, কপালের একপাশে টিন টিন ব্যাথা অনুভব হয়।

তবুও থামতে মন চায় না,আরো গুতাইতে মন চায়।

মোবাইলের আবিষ্কারক ও হয়তো কোনদিন কল্পনাও করেনি যে এই ছোট যন্ত্রটার প্রতি মানুষ এমন ভাবে আসক্ত হয়ে পড়বে।

২.

মোবাইল চালক,
অন্যরকম একটা পেশা।এ পেশায় কোন অফিস থেকে নিয়োগ পেতে হয় না,এখানে কোন বস নেই।প্রমোশন,ডিমোশন কোন কিছুর ঝামেলা নেই।নেই কোন বেতন😜

মোবাইল চালক হওয়াটা অনেক সহজ।দরকার শুধু একটা স্মার্টফোন আর ইন্টার নেট কানেকশন।

ব্যাস এরপর থেকে চাকরি শুরু।

সারাক্ষন চালাইতে চালাইতে একসময় একজন ব্যক্তি পাকা মোবাইল চালকে পরিনত হয়।

এর পর ফোনের কিবোর্ড হয় নিত্যকার সংগী।

৩.

মোবাইল চালক এক সময় আসক্তিতে পড়ে যায়।যে আসক্তি থেকে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

ক্লাস ওফ ক্লান,ক্যান্ডি ক্রাশ আর রেসিং গেমগুলো আমাদের মিলিয়ন বিলিয়ন মুহূর্ত নষ্ট করে দিচ্ছে।

আসক্ত হয়ে পড়ছি আমরা,যেটা নেশার থেকে কোন অংশে কম না।

ভাবছেন আমি উপদেশ দিচ্ছি।সে রকম কিছু না।আমি নিজেও আসক্ত।নিজের মনের কথা গুলো গুছিয়ে লিখলাম।

পরিশেষে বলি,আমরা মোবাইল চালাবো,তবে চালকের মতো নয়,প্রয়োজনের ক্ষেত্রগুলোতে।

চালক হতে গিয়ে যেন আমাদের সুন্দর মূহুর্ত গুলো যেন নষ্ট না করে ফেলি


সারোয়ার সানি



চকবাজারের বাতাসে লাশের পোড়া গন্ধ

February 23, 2019
চকবাজারের বাতাসে লাশের পোড়া গন্ধ 😰
আগুন থেমে গেছে থেমে গেছে প্রায় শতাধিক মানুষ,হাতপাতালের বিছানায় শুয়ে বসে অনেকে অসীম যন্ত্রণা ভোগ করছে।
আগুন থেমে গেছে তবু রোহানের মায়ের বিলাপ থামেনি,বিলাপ থামেনি ওয়াহিদ ম্যানশনের ওয়াহিদ সাহেবের পরিবারের মানুষদের,বিলাপ থামেনি পুড়ে যাওয়া মানুষদের পরিবারের।
গর্ভবতী স্ত্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাথে তার প্রাণপুরুষ স্বামী।
সবই নিয়তির চরম পরিহাস।
আগুনে পুড়ে গেছে শত মানুষের জীবিকার অবলম্বন।
রানা প্লাজা,নিমতলীর পর চকবাজার আর তারপর?
তারপর কি অপেক্ষা করছে আমাদের ভাগ্যে?
রানা প্লাজার মতো ভবনধস?
নিমতলী কিংবা চকবাজারের আগুন?
নাকি রাস্তায় পিসে মরা?
প্রশ্নের উত্তরটাও অজানা।
প্রশ্ন থেকেই যায়?
এ শোক আমরা ভুলে যাবো অচিরেই, কিন্ত যারা তাদের মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে ফেলেছে চিরকাল তারা ব্যথায় কাঁদবে।